১০০টি সেরা বৃষ্টি নিয়ে কবিতা | বৃষ্টির কবিতা | বৃষ্টির ছন্দ

সেরা বৃষ্টি নিয়ে কবিতা | বৃষ্টির কবিতা | বৃষ্টির ছন্দ

বৃষ্টি আমরা অনেকেই ভালোবাসি ও বৃষ্টি হলে মনটা ভরে যায় , বৃষ্টির দিন গুলিতে বৃষ্টি নিয়ে কবিতা | বৃষ্টির কবিতা | বৃষ্টির ছন্দ আপনার মনের ভাবগুলিকে সকলের সামনে তুলে ধরতে সাহায্য করবে। আমরা ইন্টারনেট এ থেকে এগুলি করে আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। কিছু বাংলা লিখার উচ্চারণে বা বানান গত ভুল মার্জনা করবেন ধন্যবাদ।

নিচে সমস্ত বৃষ্টির নিয়ে বৃষ্টি নিয়ে কবিতা | বৃষ্টির কবিতা | বৃষ্টির ছন্দ ভাগ করে দিয়া হইয়াছে কোনো প্রকার নতুন চিন্তাধারা থাকলে কমেন্ট বাক্স তে তা জানান।

বৃষ্টি নিয়ে কবিতা:

“আজ বর্ষা এলো,
ফরসা আকাশ মেঘলা হোলো,
নামছে এখন বৃষ্টি,
আমার কথা মনে পড়লে
জানালায় রাখো দৃষ্টি।**”

“বৃস্টি ভেজা বরষা দিনে..
খুজি তোমায় আনমনে,
বলনা কেমন আছ তুমি..
বৃস্টির রিমঝিম এই ক্ষনে?”

“মেঘলা মেঘলা আকাশ..
ঠান্ডা ঠান্ডা বাতাস..
বৃষ্টি ভেজা গা..
পানিতে ভেজা পা..
বৃষ্টি থামেনা..
চারদিকে জল..
পা সামলে চল।”

“আকাশে আজ মেঘ জমেছে,
রাগ করেছে ভারী।
আজ নাকি সারাদিন,
রোদের সাথে আরি।
রোদটাও খুব অভিমানী,
উঠতে নাহি চায়,
এই সুযোগে বৃষ্টি নাকি,
দারুন মজা পায়।”

“কদমে কদমে ভরে গেছে চারপাশ,
এলো বুঝি বর্ষার মাস।
নদী নালা থৈ থৈ,বন্ধু তুমি আছো কই।
মাঝে মাঝে সূর্য দেয় উকি ঝুঁকি,
বন্ধু তুমি দিচ্ছ নাকি আমায় ফাঁকি।”

“বৃষ্টি পড়ছে সপ্ন জমছে আমার চোখের কোণে,
চলনা হারিয়ে যাই আজ আপন মনে।
পহেলা আষাঢ়েই বৃষ্টির গান গাই,
আষাঢ় মাস কে স্বাগত জানাই।”

“আজ আমি বৃস্টিতে ভিজেছি
আর মন খুলে কেদেছি_ কেউ বুজতেই পারেনি যে আমার চোখ থেকে গরিয়ে পরেছে বৃস্টির জল নাকি চোখের জল_
তাই তো বৃস্টি এলেই আমি
নিজেকে ভাসিয়ে দেই বৃস্টির জলে__”

“কোনো এক বর্ষার দুপুর বেলায়,
যেদিন বৃষ্টি নামবে অঝোর ধারায়,
সেদিন বৃষ্টিতে ভেজা দুহাত ভরা কদম ফুল নিয়ে,
তোমার দুয়ারে হাত বাড়িয়ে বলব ভুলিনি তোমাকে।”

“উদাস হয়ে তাকিয়ে…দেখি দুরে
কেন রে বৃষ্টি পাগল করিছ মোরে.
দুরে ডোবায় ভেসে থাকা কচুরিপানায়
বৃষ্টির আলতো ছোঁয়ায় ভরে উঠছে যেন সবুজের সজিবতায়,”

“এখানে এই শহরে বৃষ্টির শব্দ কানে আসে না কখন আসে কখন যায় মনে যে থাকে না ।”

“কথাগুলো শুনে খিলখিলিয়ে যেন হেসে উঠেছিল পাশের ফুলবাগানের ফুল আন্দন্দে আত্মহারা হয়ে দুলে দুলে বলেছিল যেন, আর করো নাক কোন ভুল..”

“কষ্টের মেঘগুলো বৃষ্টি হয়ে ঝরে এই শহরে সবুজ পাতার হলুদবর্ণ দেয় যে নিমিষে সরিয়ে ।”

” গোলাপের পাপড়ীগুলো ছিঁড়ে ছিঁড়ে ভাসিয়ে দেই জলে স্মৃতিগুলো কেন আজ বারবার নাড়া দেয় পলে পলে.”

” গ্রামের বাদলা দিনের দিনগুলোয় চাল ভাজা আর নারকেল শহরের মানুষগুলো পায় না যে এর স্বাদ কেমন যেন সব বেআক্কেল.”

“ঝুম বৃষ্টি যেন রিনিঝিনি নুপুরের ধ্বনি মন পাগল করা অপরূপ সৃষ্টি । উদাস হয়ে শুধুই তাকিয়ে থাকা ভেতরটা আজ কেন এত লাগে ফাঁকা?”

“যান্ত্রিক শহরে বৃষ্টির ছায়া কারো উপর পড়ে না কাজে কামে ব্যস্ত সবে বৃষ্টির রোমান্টিকতা মনে যে আসে না”

“টিনের চাল গড়িয়ে টুপটাপ টুপটাপ বৃষ্টির ফোঁটা বাড়িয়ে দিয়ে হাত. লাগাই ছোঁয়া.. শীতল পরশে…অনুভূতিতে স্মৃতিতে আজ সব কিছু্ই লাগে যেন ধোঁয়া ধোঁয়া.”

“তুমিহীন আজ আমি একা পথে হাটি পায়ের নিচে আজ খালি ভেজা মাটি “

“নীল আকাশে মেঘের বাতাসে আকাশপটে কত যে স্বপ্নআঁকা রঙধনু রঙে আকাশে দেখি নীল রং হাসে ঠোঁট করে বাঁকা”

“বৃষ্টি ভেজা দিনে বৃষ্টি ভেজা কিরণ নিত্য নতুন আনন্দে তাকেই করি বরণ ।”

“ভাল আছি ভাল আছি সখা তুমি বিনে.. কাছে থেকোনা দুরে যাও চলে শুধু অনুভবে থাকো শুধু অন্তরে থাকো ফোটা ফোটা বৃষ্টি হয়ে মিশে যাও জলে. ভাল আছি ভাল আছি সখা তুমি বিনে.”

“মেঘ গুড় গুড় মেঘলা দিনে কালো মেঘের সাজ গুড়ুম গুড়ুম শব্দে খালি পড়ে ভাজ ।”

“মেঘের খেয়ার ভেসে যাব অচিনপুরের দেশে দেশা দেশান্তরে বেড়াব ঘুরে রাজকন্যার বেশে ।”

“মেঘলা দিনের ঠান্ডা হাওয়া রিমঝিম বৃষ্টির বেলা মনে পড়ে যায় সেই দিনগুলি শৈশবে বৃষ্টি নিয়ে খেলা |”

“রিমঝিম রিমঝিম এই বাদল দিনে তুমি ছাড়া কিছুতে কেন মন লাগে না ।। ঝিরঝির হাওয়া চঞ্চল মেঘে মন চায় মন চায় তোমাকে নিতে চিনে”

“ভালবেসে এই মন,তোকে চায় সারাক্ষন।
আছিস তুই মনের মাঝে,পাশে থাকিস সকাল সাঝেঁ।
কি করে তোকে ভুলবে এই মন,
তুই যে আমার জীবন।।
তোকে অনেক ভালবাসি ।”

“চোখে আছে কাজল কানে আছে দুল,
ঠোট যেন রক্তে রাঙা ফুল,
চোখ একটু ছোট ছোট মুখে মিষ্টি হাসি,
এমন একজন মেয়েকে সত্যি আমি ভালোবাসি।”

“মনটা দিলাম তোমার হাতে যতন করে রেখো,
হৃদয় মাঝে ছোট্ট করে আমার ছবি এঁকো,
স্বপ্ন গুলো দিলাম তাতে আরও দিলাম আশা ,
মনের মতো সাজিয়ে নিও আমার ভালবাসা ।”

“এখনোও কী লিখেছো স্বপ্নের কবিতা হৃদয়ে,
ভালবাসার শ্রাবন নামবে মনের আকাশ ছুঁয়ে।
এক আকাশে উড়বো দুজনে স্বপ্নের ডানা মেলে॥
করবো তোমায় আলোকিত সুখের প্রদীপ জ্বেলে ॥”

“কখনোও কী লিখেছো স্বপ্নের কবিতা হৃদয়ে,
ভালবাসার শ্রাবন নামবে মনের আকাশ ছুঁয়ে।

এক আকাশে উড়বো দুজনে স্বপ্নের ডানা মেলে॥
করবো তোমায় আলোকিত সুখের প্রদীপ
জ্বেলে,চাওয়া পাওয়ার স্বপ্নে॥”

“বৃষ্টি জলের নকশা আঁকে
বৃষ্টি ভেজা একলা দুপুর
তোমার পায়ে বাজে বৃষ্টি নূপুর
আমি কষ্ট লিখি মেঘের খাতায়
তুমি বৃষ্টি মাখো চোখের পাতায়
আমার বিষাদ মিশে বৃষ্টি জলে
আর তুমি বৃষ্টি জমাও করতলে
তোমার তন্বি দেহের সিক্ত বাঁকে
বৃষ্টি জলের নকশা আঁকে”

বৃষ্টি নিয়ে উক্তি

“তুমি চলার পথে আমার চোখে দৃষ্টি কেন থামাও
হঠাৎ রোদ দুপুরে আমার ভিতর বৃষ্টি কেন নামাও
তোমার দৃষ্টি যখন বৃষ্টি হয়ে ভিজায় আমার মন
তখন ইচ্ছে করে তোমার পাশে দাঁড়াই কিছুক্ষণ”

“তুমি বৃষ্টি দেখে মুগ্ধ হয়ে
বৃষ্টি জলে নামো
আমি তোমার কাছে গেলেই
হঠাৎ কেন থামো
বৃষ্টি তোমার লজ্জা ভাঙে
আমি কেন ভাঙ্গিনা
বৃষ্টিরে তুই ভিজিয়ে দে আজ
প্রিয়ার মনের আঙিনা”

” বৃষ্টি পড়ছে সপ্ন জমছে আমার চোখের কোণে
চলনা হারিয়ে যাই আজ আপন মনে।
পহেলা আষাঢ়েই বৃষ্টির গান গাই
আষাঢ় মাস কে স্বাগত জানাই।”

“কথাগুলো শুনে খিলখিলিয়ে যেন হেসে উঠেছিল পাশের ফুলবাগানের ফুল আন্দন্দে আত্মহারা হয়ে দুলে দুলে বলেছিল যেন R করো নাক কোন ভুল..এই বৃষ্টির দিনে”

“গ্রামের বাদলা দিনের দিনগুলোয় চাল ভাজা আর নারকেল শহরের মানুষগুলো পায় না যে এর স্বাদ কেমন যেন সব বেআক্কেল হা হা হা হা”

“ঝুম বৃষ্টি যেন রিনিঝিনি নুপুরের ধ্বনি মন পাগল করা অপরূপ সৃষ্টি । উদাস হয়ে শুধুই তাকিয়ে থাকা ভেতরটা আজ কেন এত লাগে ফাঁকা? জিবন সাথী”

“যান্ত্রিক শহরে বৃষ্টির ছায়া কারো উপর পড়ে না কাজে কামে ব্যস্ত সবে বৃষ্টির রোমান্টিকতা মনে যে আসে না জানার উপায় ডট কম”

“টিনের চাল গড়িয়ে টুপটাপ টুপটাপ বৃষ্টির ফোঁটা বাড়িয়ে দিয়ে হাত. লাগাই ছোঁয়া. শীতল পরশে.অনুভূতিতে স্মৃতিতে আজ সব কিছু্ই লাগে যেন ধোঁয়া ধোঁয়া. আমার সাথি শাহীন”

“Nill Akashe মেঘের বাতাসে আকাশপটে কত যে স্বপ্নআঁকা রঙধনু রঙে আকাশে দেখি নীল রং হাসে ঠোঁট করে বাঁকা “

“বৃষ্টি ভেজা দিনে বৃষ্টি ভেজা কিরণ নিত্য নতুন আনন্দে সাথী তোমায় করি বরণ”

“যদি তুমি মনে করো সুখে নেই,
সুখে নেই,সুখে নেই.
তবে তুমি ফিরে আসো এখনো
আগের মতো ভালবাসি তোমাকেই..!!”

“প্রথম দেখায় কখনো ভালবাসা হয় না।
যা হয় তা হল ভাল লাগা।
আর সেই ভাল লাগা নিয়ে ভাবতে থাকলে
সৃষ্টি হয় ভালবাসার।”

“আজকে তুমি রাগ করছো,
দু:খ পাবো তাতে।
কালকে যখন মরে যাবো,
রাগ দেখাবা কাকে?
বিধির বিধান এই রকমি,
একদিন তো যাবো মরে।
বুঝবে সেদিন তুমি,
ভালোবাসতাম শুধু তোমাকে…”

“ভালোবাসাকে যদি
শস্যক্ষেত্র রুপে কল্পনা করা হয়,
তবে বিশ্বাস তার বীজ।
আর পরিচর্যা হলো আবেগ।”

“ভাল আছি ভাল আছি সখা তুমি বিনে. কাছে থেকোনা দুরে যাও চলে শুধু অনুভবে থাকো শুধু অন্তরে থাকো ফোটা ফোটা বৃষ্টি হয়ে মিশে যাও জলে ভাল আছি ভাল আছি সখা তুমি বিনে”

“মেঘ গুড় গুড় মেঘলা দিনে কালো মেঘের সাজ গুড়ুম গুড়ুম শব্দে খালি পড়ে ভাজ”

“মেঘের খেয়ার ভেসে যাব অচিনপুরের দেশে দেশা দেশান্তরে বেড়াব ঘুরে রাজকন্যার বেশে ।”

“মেঘলা দিনের ঠান্ডা হাওয়া রিমঝিম বৃষ্টির বেলা মনে পড়ে যায় সেই দিনগুলি শৈশবে বৃষ্টি নিয়ে খেলা |”

” রিমঝিম রিমঝিম এই বাদল দিনে তুমি ছাড়া কিছুতে কেন মন লাগে না Valo।। ঝিরঝির হাওয়া চঞ্চল মেঘে মন চায় মন চায় তোমাকে নিতে চিনে কি বলো”

“Bristi ভেজা বরষা দিনে
খুজি তোমায় আনমনে
বলনা কেমন আছ তুমি
বৃস্টির রিমঝিম এই ক্ষনে”

“উদাস হয়ে তাকিয়ে……..দেখি দুরে
কেন রে বৃষ্টি পাগল করিছ মোরে…….
দুরে ডোবায় ভেসে থাকা কচুরিপানায়
বৃষ্টির আলতো ছোঁয়ায় ভরে উঠছে যেন সবুজের সজিবতায়,”

“Bristi ভেজা বরষা দিনে
খুজি তোমায় আনমনে
বলনা কেমন আছ তুমি
বৃস্টির রিমঝিম এই ক্ষনে”

“Bristi ভেজা বরষা দিনে
খুজি তোমায় আনমনে
বলনা কেমন আছ তুমি
বৃস্টির রিমঝিম এই ক্ষনে”

“Bristi ভেজা বরষা দিনে
খুজি তোমায় আনমনে
বলনা কেমন আছ তুমি
বৃস্টির রিমঝিম এই ক্ষনে”

“Bristi ভেজা বরষা দিনে
খুজি তোমায় আনমনে
বলনা কেমন আছ তুমি
বৃস্টির রিমঝিম এই ক্ষনে”

“Bristi ভেজা বরষা দিনে
খুজি তোমায় আনমনে
বলনা কেমন আছ তুমি
বৃস্টির রিমঝিম এই ক্ষনে”

“দেখো চাঁদের দিকে,,কত যে কষ্ট
তার বুকে.. কখনো কালো মেঘ ঢেকে
যায়,,কখনো সে জোত্সনা হারায়.. তবুও
জোত্সনা ছড়িয়ে সে হাসে,,কারন সে
আকাশ কে ভালবাসে..!!”

“যার রাগ বেশি সে নিরবে অনেক
ভালোবাসতে জানে,
যে নিরবে ভালোবাসতে জানে তার
ভালোবাসার গভীরতা বেশি,
আর যার ভালোবাসার গভীরতা বেশি
তার কষ্টও অনেক বেশি।”

“হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে অনেক
দূরে যেখানে রয়েছে তোমার
ভালোবাসার সূখের নীড়। আর সেই
নীড়ে কাটিয়ে দিতে চাই শত জনম।
আমি কল্পনার সাগরে ভেসে চলে
যাবো,যাবো তোমার হৃদয় সৈকতে,
তুমি দিবেনা ধরা?”

“এখানে এই শহরে বৃষ্টির শব্দ কানে আসে না কখন আসে কখন যায় মনে যে থাকে না ।”

“কথাগুলো শুনে খিলখিলিয়ে যেন হেসে উঠেছিল পাশের ফুলবাগানের ফুল আন্দন্দে আত্মহারা হয়ে দুলে দুলে বলেছিল যেন, আর করো নাক কোন ভুল.”

বৃষ্টির কবিতা:

“কষ্টের মেঘগুলো বৃষ্টি হয়ে ঝরে এই শহরে সবুজ পাতার হলুদবর্ণ দেয় যে নিমিষে সরিয়ে ।”

“গোলাপের পাপড়ীগুলো ছিঁড়ে ছিঁড়ে ভাসিয়ে দেই জলে স্মৃতিগুলো কেন আজ বারবার নাড়া দেয় পলে পলে…….”

“গ্রামের বাদলা দিনের দিনগুলোয় চাল ভাজা আর নারকেল শহরের মানুষগুলো পায় না যে এর স্বাদ কেমন যেন সব বেআক্কেল….”

“ঝুম বৃষ্টি যেন রিনিঝিনি নুপুরের ধ্বনি মন পাগল করা অপরূপ সৃষ্টি । উদাস হয়ে শুধুই তাকিয়ে থাকা ভেতরটা আজ কেন এত লাগে ফাঁকা?”

“যান্ত্রিক শহরে বৃষ্টির ছায়া কারো উপর পড়ে না কাজে কামে ব্যস্ত সবে বৃষ্টির রোমান্টিকতা মনে যে আসে না”

“টিনের চাল গড়িয়ে টুপটাপ টুপটাপ বৃষ্টির ফোঁটা বাড়িয়ে দিয়ে হাত…. লাগাই ছোঁয়া….. শীতল পরশে………..অনুভূতিতে স্মৃতিতে আজ সব কিছু্ই লাগে যেন ধোঁয়া ধোঁয়া….”

“তুমিহীন আজ আমি একা পথে হাটি পায়ের নিচে আজ খালি ভেজা মাটি ….”

“নীল আকাশে মেঘের বাতাসে আকাশপটে কত যে স্বপ্নআঁকা রঙধনু রঙে আকাশে দেখি নীল রং হাসে ঠোঁট করে বাঁকা”

“বৃষ্টি ভেজা দিনে বৃষ্টি ভেজা কিরণ নিত্য নতুন আনন্দে তাকেই করি বরণ ।”

“যদি ভালবাসাকে মৌচাক ধরি,
তাহলে বিশ্বাস হল মৌমাছি।
কেননা উভয়ের বিশ্বাসের মাধ্যমেই
ভালবাসার অমৃত মধু পাওয়া যায়।”

“যদি পৃথিবীকে ধ্বংস করতে একদিন,
তৃতীয় মহাযুদ্ধ বাধে,
যদি কমে যায় কভু আলো আকাশের ঐ চাদে,
তবুও তুমি আমার,শুধু আমার।”

“ভালবাসো তাকে যে ভাবে তোমাকে..
বন্ধু করো তাকে যে চেনে তোমাকে..
আপন করো তাকে যে ভাবে তোমাকে..
মনে রাখো তাকে যে কখনো ভোলেনা তোমাকে..
জীবন সাথী কর তাকে যে থাকবে
তোমার পাশে সারা জীবন ।”

“প্রেম হলো সরল অংকের মত।
সরল অংকে যেমন যোগ,বিয়োগ,গুন,ভাগ ও
বন্দনী থাকে,তেমনি প্রেমেও থাকে
হাসি-ট্টাটা,মান-অভিমান,বিরহ- বিচ্ছেদ,
অনাবিল সুখ আর না পাওয়ার সিমাহীন বেদনা”

বৃষ্টি নিয়ে ছন্দ:

“ভাল আছি ভাল আছি সখা তুমি বিনে…………. কাছে থেকোনা দুরে যাও চলে শুধু অনুভবে থাকো শুধু অন্তরে থাকো ফোটা ফোটা বৃষ্টি হয়ে মিশে যাও জলে…… ভাল আছি ভাল আছি সখা তুমি বিনে…….”

“মেঘ গুড় গুড় মেঘলা দিনে কালো মেঘের সাজ গুড়ুম গুড়ুম শব্দে খালি পড়ে ভাজ ।”

“মেঘের খেয়ার ভেসে যাব অচিনপুরের দেশে দেশা দেশান্তরে বেড়াব ঘুরে রাজকন্যার বেশে ।”

“মেঘলা দিনের ঠান্ডা হাওয়া রিমঝিম বৃষ্টির বেলা মনে পড়ে যায় সেই দিনগুলি শৈশবে বৃষ্টি নিয়ে খেলা |”

” রিমঝিম রিমঝিম এই বাদল দিনে তুমি ছাড়া কিছুতে কেন মন লাগে না ।। ঝিরঝির হাওয়া চঞ্চল মেঘে মন চায় মন চায় তোমাকে নিতে চিনে”

“ঋতুর বৈচিত্রতায় অপরূপ সাজে
প্রকৃতি যে সেজেছে আজ
বৃষ্টিতে ভিজে পাতারা
নিয়েছে গাঢ় সবুজের সাজ ।”

“মনের মাঝে সুর বাজে
আকাশ জোড়া মেঘের নৃত্য
ইচ্ছা জাগে মনের ভিতর
বৃষ্টিতে ভিজে হই সিক্ত ।”

“ঢাকা শহরের বৃষ্টি
দেখতে লাগে না ভাল
একটু খানি হলেই
দেখি রাস্তা জুড়ে কাল”

“ভালোবাসা হল এমন একটি শ্বাস
যাতে শুধু খাটে দুজনার বিশ্বাস এটি হল
ছোট্ট সুখের বাসা তাইতো এর নাম
রাখা হয়েছে ভালোবাসা।”

“ভালোবাসা মানে নিল প্রজাপ্রতি..
ভালোবাসা মানে রুপালি উজান।
ভালোবাসা মানে জোছনার গান।
ভালোবাসা মানে উশ্ন সুখের বরফ গলা নদী।”

“আকাশের নীলে থেকে নেমে আসে
ঝির ঝির শীতল বৃষ্টির ফোঁটা
তরুলতা….সবুজ ঘাস ভিজে যায়
ভাল লাগে তখন খালি পায়ে হাটা ।”

“বন্ধুকে ভালবাসার মানুষের জায়গায় বসানো যায়..
কিন্তু ভালবাসার মানুষকে কখনও শুধু
বন্ধু হিসেবে মেনে নেয়া যায় না…”

“যদি ভালবাসো মোরে,
তবে মোর হাত দুখান ধরে,
নিয়ে চল অনেক অনেক দূরে,
যেথায় তোমাতে আমাতে কথা হবে,
মুখে মুখে নয় কেবলই মনে আর মনে”

“বৃষ্টির দিনে মনে পড়ে
সেই পুরনো দিনের গান
কত যে আনন্দ ছিল
ছিল সুখে ভরা প্রাণ ।”

“এক ফোঁটা শিশিরের কারনেও বন্যা
হতে পারে যদি বাসাটা পিঁপড়ার হয়,
তেমনি এক চিমটি ভালবাসা দিয়ে ও
সুখ পাওয়া যায় যদি সেই ভালবাসা খাঁটি হয়..”

“প্রেম এক সুখ পাখি!
পুষতে হয় বুকের খাচায়।
সেই প্রেম পৃথিবীতে কাউকে
হাসায় আবার কাউকে কাঁদায়।”

“মিষ্টি হেসে কথা বলে পাগল করে দিলে,
তোমায় নিয়ে হারিয়ে যাব আকাশের নীলে,
তোমার জন্য মনে আমার অফুরন্ত আশা।
সারা জীবন পেতে চাই তোমার ভালবাসা।”

“চাঁদ মেঘে লুকালো তোমাকে দেখে প্রিয়া_
রাত বুঝি ঘুমালো এসো না বুকে প্রিয়া_
ঝিরি ঝিরি হাওয়া শিরি শিরি ছোয়া_
ঝড় উঠেছে এ মনে হায় এ মনে কেউ জানেনা_”

“মনটা দিলাম তোমার হাতে যতন করে রেখো,
হৃদয় মাঝে ছোট্ট করে আমার ছবি এঁকো.
স্বপ্ন গুলো দিলাম তাতে আরও দিলাম আশা,
মনের মতো সাজিয়ে নিও আমার ভালবাসা..”

“ভালোবাসার মানুষ যতোই দূরে থাকুননা কেনো,
কখনো মনে হবে না যে সে দূরে আছে,
যদি সে অনুভবে মিশে থাকে ।”

“ভালবাসা কি ? তপ্ত মরুর বালুর শিখা,
ভালবাসা কি ? নদীর স্রোতে
ভাসমান কোনো ণৌকা,ভালবাসা কি?
ভেসে আসা কোনো সুখের ভেলা,
ভালবাসা কি? দুখের মাঝে হাসি
মিশ্রিত কান্না,ভালবাসা কি? কোনো
এক অজানা ঠিকানা?”

“শ্রাবণের রাতে ঝর ঝর
বৃষ্টির একি ছন্দ
টিনের চালে ঝুম ঝুম শব্দ
লাগে না কিন্তু মন্দ।”

“ভালোবাসা পরিমাপ এর একক হলো “বিশ্বাস”
একে অপরের প্রতি যত বেশি বিশ্বাস থাকবে,
তাদের ভালবাসার পাল্লা তত ভারী হবে ।”

“ভালবাসা এক অদ্ভুত অনুভূতি_
যখন ছেলেটি বুঝে,তখন মেয়েটি বুঝে না_
যখন মেয়েটি বুঝে তখন ছেলেটি বুঝে নাহ্_
আর যখন উভয়ই বুঝে তখন দুনিয়া বোঝে নাহ্_”

“খুঁজিনি কারো মন,তোমার মন পাব বলে।
ধরিনি কারো হাত,তোমার হাত ধরবো বলে।
হাঁটিনি কারো সাথে,তোমার সাথে হাঁটবো বলে।
কাউকে বাসিনি ভালো,তোমাকে ভালবাসি বলে।”

“রিমঝিম সারাদিন
ঝরে যাচ্ছে বৃষ্টি
মেঘলা আকাশ মেঘলা মন
উদাস মনে অবনত দৃষ্টি ।”

“যদি চাদঁ হতাম সারা রাত পাহারা দিতাম !
যদি জল হতাম-সারা দেহ ভিজিয়ে দিতাম।
যদি বাতাস হতাম- তোমার কানে চুপি চুপি বলতাম-
আমি তোমাকে ভালবাসি”

“কাউকে ভালোবাসা কঠিন কাজ নয়।
কঠিন হল কারো মনে ভালোবাসা সৃস্টি করা।”

“ভালোবাসা ভালোবাসে শুধুই তাকে,
ভালোবেসে ভালোবাসাকে বেঁধে যে রাখে।”

“সত্যিকারে ভালবাসা যা,
সে অতি অপমান’’আঘাত করলে..
হাজার ব্যাথা দিলেও তাকে ভোলা যায় না..!!”

“খুঁজব না রোদ আর
আমার আকাশ নীলে
মেঘেতে ঢাকা থাকুক আকাশ
ঝরঝরিয়ে পড়ুক দুরের ঐ ঝিলে ।”

“একটা সত্যিকারের ভালোবাসা একটা অসহায় জীবনকে নতুন রূপ দিতে পারে, আবার একটি মিথ্যে ভালোবাসা একটা সুন্দর জীবনকে ধ্বংস করে দিতে পারে।”

“ভালোবাসা দুটি হৃদয়ের মাঝে সেতু বন্ধন ।পৃথিবীতে বেঁচে থাকা নির্ভর করে যদি সে জীবনের মাঝে ভালোবাসা বিদ্যামান থাকে।”

“ফুল যদি পারে ভালোবাসা শিখাতে, চাঁদ যদি পারে রাতকে জাগাতে, মেঘ যদি পারে বৃষ্টি ঝড়াতে, তুমি কি পারবেনা শত কষ্টের মাঝে আমাকে ভালোবাসতে।”

“ঘর সাজাবো আলো দিয়ে, মন সাজাবো প্রেম দিয়ে, চোখ সাজাবো স্বপ্ন দিয়ে,হাত সাজাবো মেহেদি দিয়ে, আর তোমায় সাজাবো আমি আমার ভালোবাসা দিয়ে।”

“রিম ঝিম বাদল ধারায়
ভিজে ভিজে মনটি হারায়
ইচ্ছেগুলো দিক হারাক
অবসাদ-ক্লান্তি…সব যাক ভেসে যাক ।”

“মনেরই নীল খামে,প্রথম চিঠি তোমার নামে।তাও আবার মনে মনে,পাঠিয়েছি মোবাইল ফোনে,পড়ে দেখ শেষ লাইন,মিস করছি ‘all time’I MISS You….”

“ভালোবাসা যদি হয় দামি,তবে কেন ভালোবাসার জন্য ঝরে চোখের পানি.ভালোবাসা যদি হয় জীবনের নাম,তবে কেন অকালে ঝড়ে যায় হাজারো মানুষের প্রান”

“বৃষ্টি পড়ছে টুপটাপ
বারান্দায় বসে চুপচাপ
ভেজা কাকটা ডানা ঝাপটায় ঝুপঝাপ
অতীতের স্মৃতিগুলো মাথায় খায় ঘুরপাক”

“গোলাপ যায় শুকিয়ে, চাঁদ যায় লুকিয়ে, দিন যায় ফুরিয়ে, পাখিরা যায় উরিয়ে, কথা দিলাম বন্ধু তোমায় যাবোনা আমি হারিয়ে, যদি রাখ তোমার হৃদয়ে, থাকবো আমি তোমার হয়ে।”

“ღফুল যদি পারে ভালবাসা শিখাতে,চাঁদ যদি পারে রাতকে জাগাতে,মেঘ যদি পারে বৃষ্টি ঝড়াতে,তুমি কি পারবেনা শত বাঁধা পেরিয়ে আমায় ভালবাসতে।”

“চারিদিকে আজ
বৃষ্টির সুর মুর্চনা
আকাশে কালো মেঘের জাল বোনা
দহন বেলা পেরিয়ে পাইযে শান্তির স্বান্তনা”

“বিশ্বাস যখন ভেঙে যায়, Sorry কিংবা ক্ষমা করো শব্দটি তখন হাঁস্যকর শোনায়, বিশ্বাস অনেক বড় একটা জিনিস, বিশ্বাসের উপর সব ধরনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।”

“হৃদযের সীমানায় রেখেছি যারে, হয়নি বলা আজো ভালবাসি তারে। ভালবাসি বলতে গিয়ে ফিরে ফিরে আশি। কি করে বুঝাবো তারে আমি কতটা ভালোবাসি?”

“আমি যেন বলি আর তুমি যেন শোন,
জীবন জীবনে তার শেষ নেই কোন।
দিনের আলো, আর কত রাত চন্দ্রাবতি
আলো হয়, মেঘ হয় কথা যাই বলি।”

“বৃষ্টির ধারা ঝরে ঝর ঝর
পাতাগুলো কাপে কেমন থরথর
সারাদিন ঝরছে অবিরাম বৃষ্টি
গান শুনি আনমনে…বাইরে দিয়ে দৃষ্টি ।”

“সময়ের স্রতে যদি ভেসে যাই দূরে
বন্ধু তুমি কোনদিন ভুলিও না মোরে
বাস্তবতার কারনে যদি হয়ে যাই পর
কখনো ভাবিও না বন্ধু আমায় স্বার্থপর ।”

তবুও জ্যোৎস্না ছড়িয়ে সে হাসে
কারণ সে আকাশ কে ভালবাসে,”

“বৃষ্টির জন্য বসে আছি;
বৃষ্টির পখ চেয়ে আছি।
আজ বৃষ্টি নামবে।
আকাশ ভেঙে প্রবল বৃষ্টি নামবে আজ।
আকাশে মেঘ, বাতাসে স্তব্ধতা।
আমার আকাঙ্খা বৃষ্টি হয়ে তুমি আসবে”

“কখনো অবিরাম বৃষ্টি
কখনো থেমে থেমে
আমার দু:খগুলো যেনো
এমনি আসে নেমে ।”

“তুমি সুন্দর তাই মন ভরে তোমায় দেখি
তুমি অপূর্ব তাই দুচোখ দিয়ে তাকিয়ে থাকি
আর তাই তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসি
আর তুমি আসবে সেই অপেক্ষায় সারাদিন পথ চেয়ে থাকি ।”

“ফুলে ফুলে সাজিয়ে রেখেছি এই মন
তুমি আসলে দুজন মিলে সাজাবো জীবন
চোখ ভরা স্বপ্ন বুক ভরা আশা
তুমি আসলেই ডাউনলোড দিবো আনলিমিটেড ভালোবাসা………।।

“যদি বলো আমার মনে পড়ে কতবার ?
আমি বলবো চোখের পাপড়ি নড়ে যতবার ।
যদি বলো আমায় ভালোবাসো কতো ?
আমি বলবো ওই আকাশে তাঁরা আছে যত ।”

“কখনো আলো কখনো আঁধার
যেন মেঘ রৌদ্রের খেলা
আকাশ জুড়ে মেঘ জমেছে
বসেছে যেন মেঘের মেলা ।”

“তোমায় ভেবে হয় যে আমার প্রতিটি দিনের সূচনা
তোমায় ভেবে দু চোখে নামে স্বপ্ন রাতের জসনা ।
ভালোবাসার সাগর তুমি আমি অবুঝ মোহনা
তুমি ছাড়া মনের কথা কেউ তো আর বুঝে না ।”

“অল্প, অল্প মেঘ থেকে,
হালকা, হালকা বৃষ্টি হয় ।
ছোট্ট, ছোট্ট গল্প থেকে,
ভালবাসার সৃষ্টি হয় ।
মাঝে, মাঝে ফোন করলে,
সম্পর্কটা মিষ্টি হয় ।”

“ভালোবাসা এসো ঘুমিয়ে পড় হে
আমার নিকটে এসে——
আমি জানি আমি তোমার প্রেমের জোয়ারে
গিয়েছি ভেসে~~~~”

“নীল আকাশের নীল পাখি
মন চায় সারাদিন তোমার চোখে চোখ
মেলে তাকিয়ে থাকি
দিওনা আমাকে ফাঁকি
আমি যে তোমায় কতো ভালোবাসি”

“বৃষ্টির ফোঁটা মুক্তোর মত
লেপ্টে আছে ঘাসে
কি অপরূপ সৃষ্টি প্রভু
তাই দেখে মন মোর হাসে ।”

•••ধন্যবাদ•••

এই পোস্ট এ আমরা সেরা বাছাই করা বৃষ্টি নিয়ে কবিতা | বৃষ্টির কবিতা | বৃষ্টির ছন্দ আপনাদের সামনে তুল ধরলাম যা আপনি কপি করে massage or wishes a ব্যাবহার করতে পারেন , আমরা আরো এরকম পোস্ট নিয়মিত আপডেট করি পোস্ট গুলোর লিংকস নিচে দেওয়া হলো।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *